ছায়াজীব
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
ছায়ার উপর রোদ এসে থামে
শূন্যকথা ফুটে ওঠে
ছুঁয়ে ফেলে হিম, দৃশ্যত।
প্রহরীরা রাত বোনে ঘোড়ার নালের মতো
অশ্বরব ছুটে চলে উপাস্য ক্ষুধায়
ইস্তেহার লিখি কিলবিল জ্যান্ত শব্দ।
আত্মমগ্ন বেহিসাবি
মুশলধারায়, জলের বিহ্বল- রসাতল।
শায়িত পাখির ডানা ধরে নামি
নিরীহ বাতাস আসে তাকে খেয়ে ফেলি
নাগরিক মিছিলের মিথ্যে কোলাহল!
কোথায় অন্ধকারের সন্ধি
কোথায় রহস্যের পরত
কোথায় বা আলোর যোগসুত্র!
বৈপরিত্য
তুমি আলো। চারিদিকে আলো। আলোর উপর একটা শহর
ভেসে যাচ্ছে। তার নীচে চোরা গলি। বিষণ্ণ আওয়াজ
কিছু ছেলে দৌড়ে যাচ্ছে। রাত পাখির মতো। অন্ধকারের দিকে
আমি তাদের যেতে বলিনি। কে বলেছে তাদের? কে বলেছে
ওই অন্ধকার গলির মধ্যে একটা গোটা সূর্য জ্বালিয়ে দিতে!
মন্দবাসা
ঘুম কি ভেঙে গেল?
পাখির শহর !
রেডিও বাজছে
চেনা সব একতারা মুখ
খুঁজে আনে খড়কুটো
বসত বানায়
অথবা বসতের গোপন!
ঘুলঘুলি। অট্টালিকায়
খায়, উড়ে যায়
খায়, উড়ে যায়
হলুদ পাতার আর বাঁধন কোথায়!

কবিতা গুচ্ছ অসাধারণ লিখেছেন।
অশেষ ধন্যবাদ পড়ার জন্য।